একতারা , ছত্রাখান । কালো জমজমি চাদর , তারা বসানো , তারায় তারায় , দিদার যশোর খুলনা , আমার ছোট্ট মা খাবার
টেবিলে , চড়ে বসে আছে , বাহাদুর
ভাত লাও , হরে কৃষ্ণ বলছে
শাহী কাকাতুয়া ।
রান্নাঘর ভেঙ্গে দেয় কাল । বাকিটা
আমরা দেখে নেবো । চাদর , চুমকি
বসানো , তারার শহরে মাতামহিদের ছানিকাটা চশমা ,
ভাঙ্গা উনুনে , শেয়ালনির ঘরবাড়ি ।।
কলেজ বিড়ি ২
বিকেল শেষে হাত পা ঢুকেপড়তে চায় মুখের ভেতর । তৃতীয়বিশ্বের হাত চিবাতে থাকি,সজিনাডাঁটার অভ্যাসে । সরকারি চাকরি করা , আপোষহীন বাজনদার , তাদের কোলাহল শুনি । সম্প্রতি ,কটা ঝিঁঝিপোকা এবাড়িতে ,শেল্টার্ নিয়েছে । গভীর রাতে ,নিদ্রিত পাড়ার কাঁধে বসে,দিনের শেষ বিড়িটা ধরায় ঝিঁঝি । নাকি ওটা অন্য কেউ ,বারান্দার অন্ধকারে?
ঝিঁঝিপোকা কি বিড়িও টানে আজকাল
নেশার পরে
হাত ধরে টানে অন্ধকারের গলিগুলো পৌষে । মেলার ঠাকুর দেখি বাইরে , চাতালে বসে । ছিলাম আছে । লালচে সাফি , ছেদক যন্তর । যা ছেদন করে দেবে এ দোকানপাট , আয়নার গলি । এদিকটা কেমন যেন মারোয়াড়ি গন্ধ , ঘী আর চাট মশলা । মেলার ঠাকুর হ্যাংওভার মুক্ত । ওসব পেঁচো মাতালদের হয় । ঠাকুরের সব তখন তখন । গরম । রিহ্যাব্ সেন্টারের গলি থেকে , ঝকঝকে সাইকেল নিয়ে আপুয়া বেরিয়ে কোথায় যেন যায় । প্রায়ই দেখি ,আইসক্রীম গলছে , লালশালু মোড়া কুলফি গাড়ি থেকে ,গাঢ় সবুজ বল হাতে দিচ্ছে রামপুকার । কোথা বাড়ি ? মুঙ্গের জিলা । পৌষের গলি টানে , মা'কে বলা যত নেশাজনিত মিথ্যে , হাতে খইনির মত ডলছি আজ । চিট আঠা এত , মা নেই , মিথ্যেগুলো ,রয়ে গেছে , মেলার ঠাকুরের কাছে আসি , কান্না পায় হঠাৎ ,সারদা মা'র একটা ছবি হাতে দিয়ে বলেন , লে জা বেটা ।
পেঁচো দের সঙ্গে আর কথা হয়না তেমন । খর্বকায় মন্দির থেকে গডজিলার মত হরিনাম , পথ হারানো মথের মত , ধাক্কা লাগে দেয়াল থেকে দেয়ালে ।।
সুন্দর
উত্তরমুছুন